স্টিফেন ইউলিয়াম হকিং এর জীবনী - পৃথিবী ধ্বংস নিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের করা ৩টি ভবিষ্যতবানী

স্টিফেন হকিংয়ের করা ৩টি ভবিষ্যতবানী, স্টিফেন হকিং ইতিহাস

হেই বন্ধুরা,   স্টিফেন  ইউলিয়াম  হকিং    একজন ইংরেজ   তাত্ত্বিক     পদার্থবিজ্ঞানী,      গণিতবিদ, বিশ্বতাত্ত্বিক এবং বিজ্ঞান-বিষয়ক জনপ্রিয় ধারার কবি   ।   তাতে     ২০   শতকের    সেরা   তাত্তিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে গন্য করা হয়। তবে নিজের জীবনের     ৫৫  বছর   পক্ষাগতরত  অবস্থায়   না চলাফেরা করতে  পাররেন, না   নিজের মুখ  দিয়ে কিছু বলতে পারতেন। এমনকি তিনি নিজস্ব   গলা দিয়েও     কিছু   গিলতেও   পারতেন   না৷ ।   তবে অদ্ভুতভাবে তিনি একটি কম্পিউটার   এর সাহায্যে মানুষের সাথে কথা বলতেন।  নিজের   বেশিরভাগ থিওরি ও প্রেফিকশানকে     সত্যি   করা   স্টিফেন হকিং বর্তমানে তো আমাদের যাথে পৃথিবীতে  নেই তবে পৃথিবী ধ্বংসের ব্যাপারে   যেসব   প্রেডিকশন করেছেন যেগুলো যদি সত্যি হয়ে যায় তাহলে প্রায় ২০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে    যাবে  এবং আমাদের মানুষজাতির   কোনো   অস্থিত্য  থাকবে না।  আজকে  জানি   বাংলার৷ এই   আর্টিকেলে আমরা স্টিফেন হকিংয় এর এমন ৬টি থিওরি ও প্রেডিকশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চলেছি।

আরো জানুনঃ জিডিপি মানে কি? বাংলাদেশের জিডিপি কতো? জিডিপি কিভাবে গণনা করা হয়?

খুব কম  বয়সে (২১) স্টিফেন হকিংয় এমন একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হয় যেটা শুধু ৬০-৭০ বছর বয়সী মানুষদেরই হয়। চিকিৎসকেরা এই রোগকে পেশী ক্ষয়কারী  পার্সিক   কাঠিন্য  বলে   থাকেন। স্টিফেন হকিংয়ের দেহে বিরল রোগটি ধরা পরার পর চিকিৎসক যানান তিনি আর মাত্র ২-৩    বছর বাঁচবেন তবে  স্টিফেল  হকিং এ   রোগ   নিয়ে ৫৫ বছর বেঁচে ছিলেন। এই রোগকে    স্টিফেন  হকিং তার জীবনে কোনো প্রভাব ফেলতে দেননি।    বরং রোগটিকে  তিনি    তার     শক্তি  হিসেবে   ব্যবহার করেছিলেন। কিছুদিন পর ধীরে ধীরে চলাফেরার শক্তিও কমে যায়। তার প্রায় শরীরের সব অংশই কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু তার   এমন একটি অংস ছিলো যা কাজ  করা বন্ধ   করেননি। হুইলচেয়ার এ   বসে বসে  তিনি   প্রায়   ৮টি   বই পাবলিশ করেন। এবং আইন্সটাইনের পরে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক হিসেবে খেতাব পান। উনি আমাদের বৃম্ভান্ডের এরূপ   এমন   কিছু   রহস্যের উপর থেকে পর্দা তোলেন    যা    পুরো   পৃথিবীকে আর্শচ্য করে দেয়। স্টিফেন হকিং    এমন    এমন থিওরি তুলে ধরেন যা পরবর্তীতে    সত্যি       বলে প্রমানিত হয়। এদের মধ্যে ব্লাক      হোল    (Black Holl) অন্যতম। যেখানে একদিনে    তার    থিওরি সারা পৃথিবীকে আর্শয্য    করে    দিল।    সেখানে স্টিফেন হকিংয়ের এমন কিছু প্রেডিকশন    আছে যা পুরো পৃথিবীকে ভয়ে ফেলেছে। এসব ভয়ানক প্রেডিকশন    ও       থিওরিতে    স্টিফেন    হকিং বলেছিলেন আমার পৃথিবী থাকা মানুষ কিভাবে ও কখন ধ্বংস হয়ে যাবে।     তাই আজকে    আমরা  স্টিফেন হকিংয়ের ৩ টি    ভবিষ্যৎবানী    সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

নাম্বার - ১

স্টিফেন হকিং বলে আমাদের সবচেয়ে বড় বিপদ স্পেস বা মহাকাশ থেকে আসবে না! আমাদের সবচেয়ে বড় বিপদ আমরা নিজেরাই। ২০১৮ তে তিনি বলেছিলেন যে বিভিন্ন রোগ থেকে    বাঁচার জন্য যে আমরা ভ্যাক্সিন তৈরি করছি এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো আছে যেগুলো Genetically Modified    মানে    এই    ভ্যাক্সিন    গুলোকে ভাইরাসেল ডিএনএকে অন্ডার করে তৈরি করা হয়েছে। যাতে ওই ভাইরাসগুলো মানুষের দেহে কোনো ক্ষতি সাধন করতে না পারে। হকিং মনে করতেন যে তৎকালীন ভাবে তো ভ্যাক্সিন গুলো মানুষে বানিয়ে নেবে কিন্তু দীর্ঘদিনে এটি মানুষের ডিএনএ (DNA) তেও প্রভাব    ফেলতে    পারে। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা অনেক ডেডলি    ভাইরাসকে একত্রিত করে সিংগেল শট ভ্যাক্সিন তৈরি করছে। যার একটি উদাহরণ হলো    রোটাটেক    ভ্যাক্সিন (Rotateq Vaccine)। যেটা    বাচ্চাদের    রোটা ভাইরাস (Rota Virus) থেকে    বাঁচানোর    জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই ভ্যাক্সিনকে গরু ও মানুষের ডিএনএ (DNA) অল্টার করে তৈরি করা হয়েছে এটা বাচ্চাদের রোটা ভাইরাস থেকে তো    বাঁচিয়ে দেয় কিন্তু দীর্ঘদিনে পর    এটার    কোনো    বাজে প্রভাব পরবে কি-না তা আমরা জানি না।

নাম্বার - ২

স্টিফেন হকিং তার শরীর অসুস্থ    থাকার    সময় তিনি অনেক রিসার্চ করেছিলেন।    তিনি    মনে করতেন পৃথিবীর বাইরের কোথাও    না    কোথাও ইন্টেলিজেন্স লাইফ রয়েছে।    আর   কখনো    না কখনো এলিয়েনরা পৃথিবীতে আক্রমন চালিয়ে দখল করে নিবে। কিন্তু এখানে আপনাদের একটা থিওরি জানা উচিত বিজ্ঞানীরা মনে করেন একটি বিগ ব্যাঙ এর জন্য ইউনিভার্স এর তৈরি হয়েছে৷ কিন্তু স্টিফেন হকিং মনে করতেন শুধু একটি বিগ ব্যাঙ নয় একাধিক    বিগ    ব্যাঙ হয়ে    একাধিক ইউনিভার্স তৈরি    হয়েছে।    এক    কথায়    তিনি প্যারারাল       ইউনিভার্স    (Pararal Universe) বিশ্বাস করতেন। হ্যাঁ তবে অন্য কোনো ইউনিভার্স এর প্রমান আমাদের কাছে নেই।    তবে    স্টিফেন হকিং ধ্রীর বিশ্বাস করতেন কোনো না কোনো দিন কোন   এলিয়েন    সিবিলাইযেশন    এসে    পুরো  পৃথিবীকে দখন করে নিবে।

নাম্বার - ৩

এটা ঠিক যে স্টিফেন হকিং তারা    প্রায়    পুরোটা জীবন       হুইলচেয়ার       বা       আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Ai) এর মাঝে কাটিয়েছিলেন কিন্তু এই রোবোটদের সবচেয়ে বড়    বিরোধী    ছিলেন স্টিফেন হকিং নিজেই।    সাধারণত    রোবোটদের আমরা আমাদের দৈনিক কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহার করা করে    থাকজ।    তবে    রোবোটরা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে কাজে লাগিয়ে এমন এমন কিছু কাজ করতে পারে যা মানুষরা কল্পনাও    করতে      পারে    না।    স্টিফেন হকিং প্রেডিকশন করেছিলেন যে রোবোটরা    একদিন এতো ইন্টেলিজেন্স হয়ে যাবে যে তারা নিজেরাই অন্য রোবোট বানাতে পারবে। মানুষের মাঝে যে বুদ্ধিমত্তা থাকে তা একটি লিমিটেড পর্যায়েই থাকে যেমনঃ মানুষ একসাথে শুধু একটি কাজই করতে পারে, মানুষ সাধারণত একসাথে একটি কাজই ঠিকমতো করতে    পারে।    তবে    রোবোটদের ইন্টেলিজেন্স যতখুশি তত পরিমাণে বাড়ানো যায়। এরকম একটি এডভান্স রোবোট হলো ইসরায়েল এর Iron Dome    মিসাইলটি।    এটি    এতোই এডভান্স যে এটি একসাথে একাধিক মিসাইল ছুঁড়তে পারে। এমনি কোন মিসাইল লোকালয়পূর্ণ এলাকায় এবং কোনটি ফাঁকা জায়গায় পরবে সে সম্পর্কেও জানতে পারে এই মিসাইল।       কুড়ির শতকের সেরা বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং    ভাবতেন একদিন এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স    গুলো একদিন এতোই এডভান্স হয়ে    যাবে যে       এরা মানুষকে কন্ট্রল এ আনার চেষ্টা    করবে।       ওরা সফল ও হতে পারে।

কমেন্টকরুন
Cancel